ই-কমার্সে সফলতার একটি চাবিকাঠি ফেসবুক

আমাদের দেশে ই-কমার্স বিষয়টি ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আর এদেশে বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই তরুন। আর যেহেতু ই-কমার্স করা হয়ে থাকে ইলেক্ট্রিক পন্থায় বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাই এই যুব সমাজই ই কমার্স এর মুল লক্ষ্য। যুব সমাজের প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন। এই ফেসবুককে টার্গেট করে এখন করা হচ্ছে ই কমার্সের প্রসার। আর এই প্রসারের উপায়টা বেশ কাজেও দিচ্ছে। ফেসবুক বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। আমাদের যুবসমাজের সিংহভাগই এখন বলতে গেলে ফেসবুক ব্যবহার করে। অনেকের কাছে ফেসবুক ছাড়া চলা অসম্ভব।
ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়ার সুযোগ রয়েছে। আর আপনি এই বিজ্ঞাপনটি  নির্দিষ্ট দেশ ও নির্দিষ্ট বয়সের মানুষের কাছে প্রচার করতে পারবেন। তাই ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের বিষয়টি খুবই ফলপ্রসূ। সাধারনত যখন কেউ ফেসবুক ব্যবহার করে তখন তার নিউজ ফিডে বিভিন্ন ছবি ও পোস্টের সাথে এই বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়ে থাকে।ঠিক বিজ্ঞাপন বলাটা ঠিক হচ্ছে না। বিজ্ঞাপনের বদলে বলা যেতে পারে নির্দিষ্ট ই-কমার্স সাইটের ফেসবুক পেজ। অনেকেই আগ্রহী হয়ে সেই সব ফেসবুক পেজ লাইক দিয়ে রাখে যার ফলে পেজের সকল পোস্ট পেজের লাইকারদের নিকট পৌঁছে যায়। আর এসব পোস্টে সাধারনত আকর্ষণীয় পণ্যের ছবি ও দাম দিয়ে একটি লিঙ্ক দেয়া হয়। যখনি কেও এইসব লিঙ্কে ক্লিক করে তখনি সেই কাঙ্ক্ষিত পণ্যে ক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট ই-কমার্স সাইটে ট্যাব ওপেন হয়ে যায়।এতে করে ওয়েবসাইটে ভিসিটরের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং পণ্যের বিক্রয়ও নিসন্দেহে বাড়ে।আর মানুষ স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহী স্বভাবের হয়ে থাকে। অবশ্যই অনেকে নির্দিষ্ট পণ্যে কেনার পরও সাইটে অন্যান্য পণ্যে সম্ভার দেখার লোভ সামলাতে পারে না।এভাবে ফেসবুকের মাধ্যমে ই-কমার্স সাইট জনপ্রিয়তা পায় এবং মার্কেট দখল করে। একটি কথা নিসন্দেহে বলা যায় যেই ই কমার্স সাইট ফেসবুকে যত বেশী সক্রিয় সেই সাইট তত বেশী এগিয়ে। ফেসবুক বর্তমানে ই-কমার্সের একটি শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ই-কমার্স সাইটগুলো যদি পরিপূর্ণভাবে ফেসবুককে ব্যবহার করতে পারে তবে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশে ই-কমার্স আরও অনেক সফল হবে।

Source: https://bit.ly/36YzsYG

 154 Views

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

0
    0
    Your Bag
    Your cart is emptyReturn to Shop
    Scroll to Top