ই-কমার্স: কী-কেন-কীভাবে? (পর্ব: ০২)

প্রথম পর্বে আমরা জেনেছি ই-কমার্স কী। এছাড়া ওয়েবসাইট, ডোমেইন, হোস্টিং সম্পর্কেও জেনেছি। এ পর্বে জানবো নতুন কিছু। চলুন শুরু করা যাক।

ই-কমার্স পরিচালনার জন্য বিপণন পরিকল্পনা
ই-কমার্স পরিচালনায় পণ্য সামগ্রী ক্রয় ও বিক্রয়ের জন্য একটি বিপণন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। কারণ, পণ্যের বিপণন কৌশলের ওপর ই-কমার্সের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভরশীল। বিপণন পরিকল্পনা বিভিন্নভাবে করা যেতে পারে:

১. গ্রাহক নিবন্ধন;
২. পণ্য উৎপাদনকারী নিবন্ধন;
৩. ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের নিবন্ধন;
৪. ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন;
৫. স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি;
৬. বিপণন টিম গঠন।

গ্রাহক নিবন্ধন
ই-কমার্স সাইটের পণ্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য গ্রাহক তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য সাইটটিতেই গ্রাহক নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রথম দিকে বিপণন টিমের সদস্যগণ ব্যাক্তিগত পরিচয় কাজে লাগিয়ে গ্রাহক তৈরির উদ্যোগ নেবেন। প্রত্যেক গ্রাহকের ঠিকানাসহ ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। গ্রাহকের কাছ থেকে পণ্য ক্রয়ের অর্ডার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে পণ্যের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দিয়ে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে হবে। তখন গ্রাহকই প্রতিষ্ঠানের প্রচার ও প্রসারে কাজ করবে এবং ধীরে ধীরে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও বিভিন্ন দোকানের সঙ্গে পণ্য ক্রয়বিক্রয় নিয়ে চুক্তি সম্পাদন করা যেতে পারে। তাদের তালিকাও অলাইনে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

পণ্য উৎপাদনকারী নিবন্ধন
ইউডিসিগুলো গ্রামে স্থাপিত হওয়ায় তৃণমূলের বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনকারীর তালিকা তৈরি করতে হবে। তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য নিবন্ধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পণ্য উৎপাদনকারী, বিশেষ করে কৃষক, হস্তশিল্পী, কুটির শিল্প প্রস্তুতকারী ও জেলেদের ই-কমার্স সাইটের সদস্য করতে হবে। যারা নিয়মিত ওয়েবসাইট ব্যবহার করে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় করা সহজ হবে। নিবন্ধনকৃতদের ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। পণ্য উৎপাদনকারীগণ নিয়মিত ই-কমার্স সেন্টারে এসে পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন। এমনকি পণ্য ক্রয়ে আগ্রহীরাগণও সেন্টারে এসে অথবা অনলাইনে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে নির্ধারিত পণ্য ক্রয় করতে পারবেন।

ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের নিবন্ধন
গ্রাহকের চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে ব্যবসায়ী ও খুচরা পণ্য বিক্রেতাদের একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। তালিকা অনুযায়ী তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। এসব ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য সোর্স করে ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিক্রি বাড়ানো যেতে পারে।

ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন
ক্রেডিট কার্ডে কেনার প্রক্রিয়াটি সহজ। এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংকে একটি কম্পিউটার সার্ভার থাকে এবং যে উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ওয়েবসাইটে কেনাবেচা করবে তারা একটি সার্ভার ব্যবস্থাপনা রাখবে। বিশেষভাবে তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রমটি পরিচালনা করা হয়। কোনো ক্রেতা যখন ওয়েবসাইটে ঢুকে পণ্য পছন্দ করবেন এবং অর্থ পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে ক্লিক করবেন, তখন সে বার্তাটি নির্দিষ্ট ব্যাংকের সার্ভারে চলে যাবে। গ্রাহক তার গোপন পিনকোড ব্যবহার করে অনুমতি প্রদান করলে ব্যাংকের সার্ভার থেকে পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকের হিসাব পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট অর্থ কেটে নেবে। ওই ব্যাংক দেশি না হলে পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে নম্বরটি ভিসা কিংবা মাস্টার কার্ড নেটওয়ার্কে যাবে। এখান থেকে নির্দিষ্ট ব্যাংকের অনুমতিক্রমে তা অনুমোদিত হবে এবং ব্যাংক ক্রেতার হিসাব থেকে অর্থ কেটে নিয়ে বিক্রেতার হিসাবে জমা করে দেবে। যেকোনো ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেই অর্থ পরিশোধ করা যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে মিনিট খানেক সময় লাগবে। আর ক্রেতার তথ্য যাতে অন্য কেউ সহজেই সংগ্রহ করতে না পারে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে অনলাইন লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো https (hyper text transfer protocol secured) প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিরাপদ। তবে গ্রামে অনেকেরই ক্রেডিট কার্ড নেই। তারা মোবাইলে অর্থ লেনদেন করে থাকে। সেক্ষেত্রে কার্যকরভাবে মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধাকে কাজে লাগানো যেতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি (সেলফ এমপ্লয়ী)
পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করতে আগ্রহী গ্রামের তরুণদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি করা যেতে পারে। এদের ডাটাবেজ তৈরি করে তা অনলাইনে রাখতে হবে। এই স্বেচ্ছাসেবকগণ গ্রামে উৎপাদিত পণ্য বিক্রিতে যেমন সহযোগিতা করতে পারবেন, তেমনি গ্রামের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য ক্রয়েও ভূমিকা রাখতে পারবেন। তারা ই-কমার্স সাইটের পণ্যের কথা গ্রামের মানুষের কাছে তুলে ধরবেন।

বিপণন টিম গঠন
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রথমে ছোট আকারে কয়েকজন তরুণকে নিয়োগ করা যেতে পারে। এদের দিয়ে একটি মার্কেটিং টিম গঠন করে পণ্য বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এই টিমের সদস্যগণ নতুন নতুন গ্রাহক তৈরি করে নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।

পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা
ই-কমার্সকে কার্যকর ও জনপ্রিয় করার নানা উদ্যোগ ও আয়োজন চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ (এনপিএস) চালু করেছে। এটা ই-কমার্সের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মূলত ই-কমার্সে মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং লেনদেন সহজ করতেই ন্যাশনাল পেমেন্টে সুইচ (এনপিএস) চালু করা হয়। একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ইন্টারনেটে কেনাকাটার ক্ষেত্রে যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা দূর করবে এই এনপিএস। এটি আসলে একটি সর্বজনীন পেমেন্ট গেটওয়ে। ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমে পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর ফলে এটিএম কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিংসহ সব ধরনের ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি একই প্ল্যাটফর্মে চলে এসেছে। যেকোনো ব্যাংকের এটিএম কার্ড অন্য ব্যাংকের বুথে ব্যবহার করে টাকা তোলা যায়। এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং, খুচরা কেনাকাটার পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) কার্যক্রম এবং ইন্টারনেট লেনদেনের বিষয়গুলো দিনে দিনে সহজ হয়ে গেছে। যেকোনো ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং করা যাবে অন্য ব্যাংকের সংগে। কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে ছাড়াই ভিসা ও মাস্টার কার্ড দিয়ে প্রতিনিয়ত কেনাকাটা করা যায় দেশের মধ্যেই।

প্রথম পর্বে আমরা জেনেছি ই-কমার্স কী। এছাড়া ওয়েবসাইট, ডোমেইন, হোস্টিং সম্পর্কেও জেনেছি। এ পর্বে জানবো নতুন কিছু। চলুন শুরু করা যাক।

ই-কমার্স পরিচালনার জন্য বিপণন পরিকল্পনা
ই-কমার্স পরিচালনায় পণ্য সামগ্রী ক্রয় ও বিক্রয়ের জন্য একটি বিপণন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। কারণ, পণ্যের বিপণন কৌশলের ওপর ই-কমার্সের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভরশীল। বিপণন পরিকল্পনা বিভিন্নভাবে করা যেতে পারে:

১. গ্রাহক নিবন্ধন;
২. পণ্য উৎপাদনকারী নিবন্ধন;
৩. ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের নিবন্ধন;
৪. ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন;
৫. স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি;
৬. বিপণন টিম গঠন।

গ্রাহক নিবন্ধন
ই-কমার্স সাইটের পণ্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য গ্রাহক তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য সাইটটিতেই গ্রাহক নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রথম দিকে বিপণন টিমের সদস্যগণ ব্যাক্তিগত পরিচয় কাজে লাগিয়ে গ্রাহক তৈরির উদ্যোগ নেবেন। প্রত্যেক গ্রাহকের ঠিকানাসহ ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। গ্রাহকের কাছ থেকে পণ্য ক্রয়ের অর্ডার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে পণ্যের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দিয়ে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে হবে। তখন গ্রাহকই প্রতিষ্ঠানের প্রচার ও প্রসারে কাজ করবে এবং ধীরে ধীরে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও বিভিন্ন দোকানের সঙ্গে পণ্য ক্রয়বিক্রয় নিয়ে চুক্তি সম্পাদন করা যেতে পারে। তাদের তালিকাও অলাইনে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

পণ্য উৎপাদনকারী নিবন্ধন
ইউডিসিগুলো গ্রামে স্থাপিত হওয়ায় তৃণমূলের বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনকারীর তালিকা তৈরি করতে হবে। তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য নিবন্ধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পণ্য উৎপাদনকারী, বিশেষ করে কৃষক, হস্তশিল্পী, কুটির শিল্প প্রস্তুতকারী ও জেলেদের ই-কমার্স সাইটের সদস্য করতে হবে। যারা নিয়মিত ওয়েবসাইট ব্যবহার করে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় করা সহজ হবে। নিবন্ধনকৃতদের ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। পণ্য উৎপাদনকারীগণ নিয়মিত ই-কমার্স সেন্টারে এসে পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন। এমনকি পণ্য ক্রয়ে আগ্রহীরাগণও সেন্টারে এসে অথবা অনলাইনে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে নির্ধারিত পণ্য ক্রয় করতে পারবেন।

ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের নিবন্ধন
গ্রাহকের চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে ব্যবসায়ী ও খুচরা পণ্য বিক্রেতাদের একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। তালিকা অনুযায়ী তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। এসব ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য সোর্স করে ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিক্রি বাড়ানো যেতে পারে।

ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন
ক্রেডিট কার্ডে কেনার প্রক্রিয়াটি সহজ। এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংকে একটি কম্পিউটার সার্ভার থাকে এবং যে উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ওয়েবসাইটে কেনাবেচা করবে তারা একটি সার্ভার ব্যবস্থাপনা রাখবে। বিশেষভাবে তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রমটি পরিচালনা করা হয়। কোনো ক্রেতা যখন ওয়েবসাইটে ঢুকে পণ্য পছন্দ করবেন এবং অর্থ পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে ক্লিক করবেন, তখন সে বার্তাটি নির্দিষ্ট ব্যাংকের সার্ভারে চলে যাবে। গ্রাহক তার গোপন পিনকোড ব্যবহার করে অনুমতি প্রদান করলে ব্যাংকের সার্ভার থেকে পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকের হিসাব পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট অর্থ কেটে নেবে। ওই ব্যাংক দেশি না হলে পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে নম্বরটি ভিসা কিংবা মাস্টার কার্ড নেটওয়ার্কে যাবে। এখান থেকে নির্দিষ্ট ব্যাংকের অনুমতিক্রমে তা অনুমোদিত হবে এবং ব্যাংক ক্রেতার হিসাব থেকে অর্থ কেটে নিয়ে বিক্রেতার হিসাবে জমা করে দেবে। যেকোনো ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেই অর্থ পরিশোধ করা যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে মিনিট খানেক সময় লাগবে। আর ক্রেতার তথ্য যাতে অন্য কেউ সহজেই সংগ্রহ করতে না পারে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে অনলাইন লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো https (hyper text transfer protocol secured) প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিরাপদ। তবে গ্রামে অনেকেরই ক্রেডিট কার্ড নেই। তারা মোবাইলে অর্থ লেনদেন করে থাকে। সেক্ষেত্রে কার্যকরভাবে মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধাকে কাজে লাগানো যেতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি (সেলফ এমপ্লয়ী)
পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করতে আগ্রহী গ্রামের তরুণদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি করা যেতে পারে। এদের ডাটাবেজ তৈরি করে তা অনলাইনে রাখতে হবে। এই স্বেচ্ছাসেবকগণ গ্রামে উৎপাদিত পণ্য বিক্রিতে যেমন সহযোগিতা করতে পারবেন, তেমনি গ্রামের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য ক্রয়েও ভূমিকা রাখতে পারবেন। তারা ই-কমার্স সাইটের পণ্যের কথা গ্রামের মানুষের কাছে তুলে ধরবেন।

বিপণন টিম গঠন
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রথমে ছোট আকারে কয়েকজন তরুণকে নিয়োগ করা যেতে পারে। এদের দিয়ে একটি মার্কেটিং টিম গঠন করে পণ্য বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এই টিমের সদস্যগণ নতুন নতুন গ্রাহক তৈরি করে নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।

পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা
ই-কমার্সকে কার্যকর ও জনপ্রিয় করার নানা উদ্যোগ ও আয়োজন চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ (এনপিএস) চালু করেছে। এটা ই-কমার্সের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মূলত ই-কমার্সে মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং লেনদেন সহজ করতেই ন্যাশনাল পেমেন্টে সুইচ (এনপিএস) চালু করা হয়। একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ইন্টারনেটে কেনাকাটার ক্ষেত্রে যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা দূর করবে এই এনপিএস। এটি আসলে একটি সর্বজনীন পেমেন্ট গেটওয়ে। ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমে পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর ফলে এটিএম কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিংসহ সব ধরনের ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি একই প্ল্যাটফর্মে চলে এসেছে। যেকোনো ব্যাংকের এটিএম কার্ড অন্য ব্যাংকের বুথে ব্যবহার করে টাকা তোলা যায়। এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং, খুচরা কেনাকাটার পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) কার্যক্রম এবং ইন্টারনেট লেনদেনের বিষয়গুলো দিনে দিনে সহজ হয়ে গেছে। যেকোনো ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং করা যাবে অন্য ব্যাংকের সংগে। কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে ছাড়াই ভিসা ও মাস্টার কার্ড দিয়ে প্রতিনিয়ত কেনাকাটা করা যায় দেশের মধ্যেই।

Source: http://trinomulerjanala.ictd.gov.bd/pages/categorydetails/594a4245-ca7c-46b8-a203-4236ac166439/

 95 Views

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

0
    0
    Your Bag
    Your cart is emptyReturn to Shop
    Scroll to Top